শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারি ২০২৬

| ৩ মাঘ ১৪৩২

Campus Bangla || ক্যাম্পাস বাংলা

লক্ষ্মীপুর বিএনপি-জামায়াতের কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ, আহত ১০

ক্যাম্পাসবাংলা ডেস্ক :

প্রকাশিত: ০১:৩১, ১৬ জানুয়ারি ২০২৬

লক্ষ্মীপুর বিএনপি-জামায়াতের কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ, আহত ১০

লক্ষ্মীপুরে বিএনপি-জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। আহত ব্যক্তিদের সদর হাসপাতালসহ বিভিন্ন ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার রাজশাহীর চরশাহী ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বটগাছতলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। 

বিএনপির নেতা-কর্মীদের অভিযোগ, জামায়াতের কর্মীর ভোটার দেওয়া জাতীয় পরিচয়পত্র সংগ্রহ করছিলেন। এ নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। হামলার প্রতিবাদে রাত সাড়ে আটটার দিকে জামায়াতের নেতা-কর্মীরা শহরে মিছিল করেছেন। এতে ক্ষুব্ধ নেতা-কর্মীরা বিএনপির বিরুদ্ধে স্লোগান দেন। 

সংঘর্ষেও খবর পেয়ে রাতে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) হোসাইন মোহাম্মদ রায়হান কাজেমি সদর হাসপাতালে গিয়ে আহতসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলেন। এসময় বিএনপি-জামায়াত নেতা-কর্মীরা হাসপাতালে জড়ো হয়ে স্লোগান দেন। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। হাসপাতাল এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। 


আহত দশজনের মধ্যে আছেন চরশাহী ইউনিয়নের জামায়াতের যুব বিভাগের সহসভাপতি সাকিব হোসেন, সেক্রেটারি আবদুল রহমান, ৪ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি হেজবুল্লাহ সোহেল, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের নেতা এমরান হোসেন ও শাহাদাত হোসেন খোকন এবং বিএনপি কর্মী রাসেল ভুঁইয়া ও কামাল হোসেন। 

স্থানীয় লোকজন জানান, ওই এলাকায় একটি বাড়িতে জামায়াতের নারী কর্মীরা দলীয় প্রচারে যান। এসময় ভোটারদের কাছে ভোটার আইডি কার্ড চাওয়া হয়। এ নিয়ে বিএনপি নেতা রাসেল ভুঁইয়া ও জামায়াতের যুব বিভাগের নেতা আব্দুর রহমানের মধ্যে তর্ক হয়। একপর্যায়ে আব্দুর রহমানকে পিটিয়ে আহত করেন। এ ঘটনায় পর দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। 

চন্দ্রগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোরশেদ আলম বলেন, ভোটারদের কাছ থেকে ভোটার আইডি চাওয়ায় তর্কবিতর্কের একপর্যায়ে মারামারি হয়। এতে বিএনপি ও জামায়াতের কয়েকজন আহত হয়েছে বলে শুনেছি। ঘটনাটি নিয়ে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি আশরাফুল রহমান হাফিজ উল্যাহ বলেন, পরিকল্পিতভাবে বিএনপির নেতা-কর্মীরা আমাদের নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা চালিয়েছেন। এটি একটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ঘটনা। জাতীয় পরিচয়পত্র চাওয়ার অভিযোগ সঠিক নয়।

অন্যদিকে লক্ষ্মীপুর জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হাছিবুর রহমান অভিযোগ করে বলেন, জামায়াতের নেতা–কর্মীরা ভোটারদের কাছ থেকে জাতীয় পরিচয়পত্র সংগ্রহ করছিলেন। এ নিয়ে আমাদের নেতা–কর্মীদের সঙ্গে তাঁদের তর্কবিতর্ক হয়। একপর্যায়ে জামায়াতের নেতা–কর্মীরা আমাদের কয়েকজনকে পিটিয়ে আহত করেন।