ছবি: এআই কর্তৃক নির্মিত
সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রথম শ্রেণিতে ডিজিটাল লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে। আর দ্বিতীয় থেকে নবম শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি করা হবে। এসব শ্রেণিতে লিখিত পরীক্ষার মাধ্যমে মেধাক্রম অনুসারে শিক্ষার্থী বাছাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। ১৩ অক্টোবর, মঙ্গলবার শিক্ষা মন্ত্রণালয় ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি নীতিমালা প্রকাশ করেছে।
নীতিমালার তথ্যমতে- লিখিত পরীক্ষার ক্ষেত্রে দ্বিতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণিতে এক ঘন্টায় ৫০ নম্বরের পরীক্ষা নেওয়া হবে। এর মধ্যে বাংলায় ১৫, ইংরেজিতে ১৫ ও গণিতে ২০ নম্বর নির্ধারিত থাকবে। এছাড়া ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণিতে দুই ঘন্টায় ১০০ নম্বরের ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হবে। এর মধ্যে বাংলায় ৩০, ইংরেজিতে ৩০ ও গণিতে ৪০ নম্বর নির্ধারিত থাকবে।
অনলাইনে প্রথম শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন ফরমের জন্য সর্বোচ্চ ১১০ টাকা এবং দ্বিতীয় থেকে নবম শ্রেণিতে ভর্তি আবেদন ফরমের জন্য সর্বোচ্চ ২৫০ টাকা গ্রহণ করা যাবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুসারে সেশন চার্জসহ ভর্তি ফি নির্ধারন করতে হবে।
নীতিমালায় বলা হয়েছে, প্রথম শ্রেণিতে ভর্তির জন্য আবশ্যিকভাবে লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থী নির্বাচন করতে হবে। প্রথম শ্রেণিতে আবেদনের ক্ষেত্রে একজন শিক্ষার্থী সর্বোচ্চ ৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পছন্দক্রম দিতে পারবে। তবে ডাবল শিফট স্কুলে উভয় শিফট পছন্দ করলে দুটি বিদ্যালয়ে পছন্দক্রম সম্পাদন হয়েছে বলে গণ্য হবে। একই প্রতিষ্ঠানে একাধিক আবেদন করলে সকল আবেদন বাতিল হবে। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) কেন্দ্রীয়ভাবে ডিজিটাল লটারির মাধ্যমে প্রথম শ্রেণিতে ভর্তিপ্রক্রিয়া সংক্রান্ত যাবতীয় কার্যক্রম সম্পন্ন করবে। ভর্তি কমিটির সদস্যদের উপস্থিতিতে লটারির কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে। লটারি কার্যক্রমে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে।
আরও বলা হয়েছে- লটারির মাধ্যমে নির্বাচিত শিক্ষার্থীর তালিকা প্রস্তুত করার পাশাপাশি শূন্য আসনের সমান সংখ্যক অপেক্ষমান তালিকাও প্রস্তুত রাখতে হবে। ভর্তি কমিটি কর্তৃক নির্ধারিত তারিখে নির্বাচিত শিক্ষার্থী ভর্তি না হলে অপেক্ষমান তালিকা থেকে পর্যায়ক্রমে ভর্তির ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
